শিল্প কারখানায় যদি ১০০ জনের বেশি শ্রমিক কাজ করেন, মালিককে ক্যান্টিন চালাতে হবে। ক্যান্টিনে অন্তত মোট শ্রমিকের ১০% বসতে পারবে। আর যদি ক্যান্টিনই খাবার বা বিশ্রাম ঘরের মতো ব্যবহার হয়, তখন অন্তত ২০% শ্রমিকের বসার জায়গা লাগবে।
ক্যান্টিনের
জায়গা নিয়ে বেশ কিছু বাধা আছে। ল্যাট্রিন, ইউরিনাল, বয়লার
হাউজ বা ধূলাবালি-ধোঁয়ার জায়গা থেকে ১৫ মিটার দূরে রাখতে হবে। ঘরের উচ্চতা অন্তত তিন মিটার, আর
দেয়ালের নিচের দেড় মিটার অংশ মসৃণ আর পানিরোধী কিছু দিয়ে বানানো লাগবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ও মশা-মাছি ঠেকানোর জালও
থাকতে হবে।
দেয়াল, সিলিং
বছরে একবার চুনকাম বা তিন বছরে একবার রঙ করতে হবে। রান্নাঘরের দেয়াল ছয় মাস পরপর চুনকাম বা
প্লাস্টিক পেইন্ট করাটা জরুরি। বর্জ্য বা
ময়লা পানি সরানোর জন্য নর্দমা, ডাস্টবিন — ঢাকনা দিয়ে — রাখতে হবে।
খাবারের
পরিবেশনেও নিয়ম আছে। যারা খাবার পরিবেশন করবে, তাদের
জন্য পরিষ্কার পোশাক দিতে হবে। বাসন-কোসন ধোয়ার জন্য গরম পানি লাগবেই। সব খাবার নো-প্রফিট ভিত্তিতে বিক্রি করতে হবে, মানে
এখানে লাভ করা যাবে না। প্রতিটি পণ্যের দাম ক্যান্টিনে লাগিয়ে রাখতে হবে।
সবশেষে, ক্যান্টিন
চালানোর জন্য একটা কমিটি থাকবে, যেখানে মালিক আর শ্রমিক — দুই পক্ষের
সমান প্রতিনিধি থাকবে। শ্রমিকের সংখ্যা
দুইজনের কম বা পাঁচজনের বেশি হবে না। CBA বা ট্রেড
ইউনিয়ন শ্রমিক প্রতিনিধিদের নাম দেবে। আর
কল্যাণ কর্মকর্তা তদারকি করবেন এই কমিটিকে।
